৭ম-সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১

3
2052

৭ম-সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর ২০২১

Table of Contents

সপ্তম-৭ম-সপ্তাহের ৬ষ্ঠ-৭ম-৮ম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির সপ্তম-৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট সপ্তম-৭ম সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। 7th week assignment 2021 PDF download.

Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের এপ্রিল মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে মে মাসের ২৪ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

প্রিয় ৭ম-সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমরা তোমাদের এই পোস্টে সপ্তম শ্রেণীর ৭ম সপ্তাহের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ শেয়ার করবো। আসা করি তোমাদের উপকারে আসবে।


Class 7 Islam and moral education Assignment Answer 2021 7th Week

৭ম সপ্তম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২১, ৭ম সপ্তম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২১, ৭ম সপ্তম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম উত্তর, ৭ম শ্রেণির ইসলাম এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১, ৮ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর হিন্দু ধর্ম,  ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইসলাম শিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইসলাম ধর্ম ২০২১

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ
মনে কর তুমি ৭ ম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। নিয়মিত মসজিদে গিয়ে জামাআতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় কর। নিচে বর্ণিত অবস্থাগুলাের ক্ষেত্রে তুমি কীভাবে সালাত আদায় করবে বর্ণনা দাও।
যেকোনাে ৩ টি বিষয়ের বর্ণনা লেখ: 
১। কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে (স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে) 
২। সালাতে এক বা দু’রাকাত মাসবুক হলে। 
৩। মুসাফির অবস্থায় মাগরিব, এশা ও ফজরের সালাত। 
৪। অসুস্থ অবস্থায় সালাত (যখন তুমি দাড়াতে বা বসতে পার না)

৭ম-সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর

১ নং প্রশ্নের উত্তর: 
সালাত ফরজ ইবাদত। আমাদের উচিত জামায়াতের সাথে সালাত আদায় করা। কিন্তু বর্তমান করােনা মহামারীর মধ্যে আমাদের উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জামায়াতে সালাত আদায়ের উপায়গুলাে নিচে বর্ণনা করা হলাে:
১) মাস্ক পরিধান করে সালাত আদায় করতে যেতে হবে।  
২) প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং মসজিদে প্রবেশের পূর্বমুহূর্তে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
৩) মসজিদে কমপক্ষে তিন ফিট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। প্রয়ােজনে এক কাতার ফাক রেখে সালাত আদায় করতে হবে। 
৪) ঘর থেকে জায়নামাজ নিয়ে সালাত আদায় করতে যেতে হবে।  
৫) মসজিদে সংরক্ষিত টুপি, জায়নামাজ ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না।
৬) করােনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করতে হবে। 
৭) সালাত শেষে জনসমাগম এড়িয়ে যেতে হবে।  
৮) সালাত শেষে বাসায় ফিরে আসার পর সাবান দিয়ে ভালাে করে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে।
২ নং প্রশ্নের উত্তর: 
যে ব্যক্তি নামাযে এক বা একাধিক রাকআত শেষ হওয়ার পর ইমামের সাথে জামাআতে অংশগ্রহণ করে, তাকে মাসবুক বলে।
মাসবুকের সালাত আদায়ের নিয়ম:
মুসল্লি জামাআতে সালাত আদায় করতে গিয়ে ইমামকে যে অবস্থায় পাবে সে অবস্থাতেই নিয়ত করে নামাযে অংশগ্রহণ করবে। তারপর ইমামের সাথে যথারীতি রুকু সিজদাহ করে তাশাহহুদ পাঠের জন্য বসে যাবে। ইমাম সালাম ফিরালে সে মুসল্লি সালাম না ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে এবং ছটে যাওয়া রাকআতগুলাে রুকু, সিজদাহ্ করে যথারীতি তাশাহ্হুদ, দরুদ, দোয়া মাসূরা পড়ে সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করবে। রুকুসহ ইমামের সাথে যে কয় রাকআত পাওয়া যায় তা আদায় হয়ে যায়। রুকুর পর ইমামের পেছনে ইক্তেদা বা নামাযে দাঁড়ালে ঐ রাকআত মাসবুককে আদায় করতে হবে।
মুক্তাদির সালাত এক, দুই, তিন, চার রাকআত ছুটে গেলে কিছুটা তারতম্য রয়েছে কতঃ সলেদাকে তরতরিয়েছে নিম্নে এসবের বর্ণনা করা হলাে: মুক্তাদি ইমামের পেছনে ইদো করার পর যদি এক রাকআত ছুটে যায়, তবে ইমামের সালাম ফেরানাের পর দাঁড়িয়ে যাবে এবং ছুটে যাওয়া এক রাকআত একাকী সালাত আদায়ের ন্যায় আদায় করে নেবে। দুই রাকআত ছুটে গেলে ইমামের সালাম ফেরানাের পর মুক্তাদি দাড়িয়ে যাবে এবং ছুটে যাওয়া দুই রাকআত যথানিয়মে আদায় করবে রাকআত ফরজ সালাত একাকী আদায় করা হয়।
৩ নং প্রশ্নের উত্তর: 
‘মুসাফির’ আরবি শব্দ। এর অর্থ ভ্রমণকারী। কমপক্ষে ৪৮ মাইল দূরবর্তী কোনাে স্থানে যাওয়ার নিয়তে কোনাে ব্যক্তি বাড়ি থেকে বের হলে শরিয়তের পরিভাষায় তাকে মুসাফির বলে। এমন ব্যক্তি গন্তব্যস্থলে পৌছে কমপক্ষে পনেরাে দিন অবস্থানের নিয়ত না করা পর্যন্ত তার জন্য মুসাফিরের হুকুম প্রযােজ্য হবে। শরিয়তে মুসাফিরকে সংক্ষিপ্ত আকারে সালাত আদায়ের সুযােগ দেওয়া হয়েছে। এই সংক্ষিপ্তকরণকে আরবিতে কসর বলা হয়। মুসাফির অবস্থায় যােহর, আসর ও এশার ফরজ সালাত কসর পড়তে হয়। 
যেমন আল্লাহ বলেন:

وَ اِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِی الۡاَرۡضِ فَلَیۡسَ عَلَیۡکُمۡ جُنَاحٌ اَنۡ تَقۡصُرُوۡا مِنَ الصَّلٰوۃِ ٭ۖ 
অর্থ: “যখন তােমরা দেশ-বিদেশে সফর করবে, তখন সালাত সংক্ষিপ্ত করলে তােমাদের কোনাে দোষ নেই। (সূরা আন-নিসা, আয়াত ১০১)
মুসাফিরের জন্য কসর সালাত আদায় করার অনুমতি আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ অনুগ্রহ। এই অনুগ্রহের গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবি (স .) বলেন : “এটি একটি সাদাকা, যা আল্লাহ তায়ালা তােমাদের (মুসাফিরদের) দান করেছেন। এ সাদাকা তােমরা গ্রহণ কর। ‘(বুখারি ও মুসলিম) চার রাকআত বিশিষ্ট অর্থাৎ যােহর, আসর ও এশার ফরজ সালাত মুসাফির ব্যক্তি দুই রাকআত করে আদায় করবে। ফজর, মাগরিব ও বিতরের নামাযে কসর নেই। 
এগুলাে পুরােপুরি আদায় করতে হবে। আল্লাহর দেওয়া সকল সুযােগ-সুবিধা খুশি মনে গ্রহণ করা উচিত। কাজেই কোনাে মুসাফির ব্যক্তি যদি ইচ্ছে করে যােহর, আসর বা এশার ফরজ সালাত চার রাকআত আদায় করে, তবে আল্লাহর দেওয়া সুযােগ গ্রহণ না করায় গুনাহগার হবে। কিন্তু ইমাম যদি মুকিম (থায়ী) হয়, তাহলে সে ইমামের অনুসরণ পূর্ণ সালাত আদায় করবে। সফর একটি কষ্টকর বিষয়। তাই আল্লাহ তাঁর বান্দার উপর সালাত সংক্ষিপ্ত করার অনুমতি প্রদান করেছেন।
৪ নং প্রশ্নের উত্তর: 
রােগী বা অক্ষম ব্যক্তি যথা নিয়মে সালাত আদায় করতে না পারলে, তার জন্য ইসলামে সহজ নিয়মের অনুমােদন রয়েছে। রােগীর সেই সহজ নিয়মে সালাত আদায়কে রুগুণ ব্যক্তির সালাত বলে। 
রুগ্ন ব্যক্তির সালাত আদায়ের নিয়ম:  
রুগ্ন ব্যক্তির জন্য জ্ঞান থাকা পর্যন্ত সালাত আদায় করা বাধ্যতামূলক। রােগ যত কঠিন হােক না কেন, সম্পূর্ণরূপে অপারগ না হলে সালাত ত্যাগ করা যাবে না। রােগীর দাঁড়াতে কষ্ট হলে বসে রুকু-সিজদাহুর সাথে সালাত আদায় করবে। রুকু-সিজদাহ্ করতে অক্ষম হলে বসে ইশারায় সালাত আদায় করবে। 
ইশারা করার সময় রুকু অপেক্ষা সিজদায় মাথা একটু বেশি নত করতে হবে। মাথা দিয়ে ইশারা করতে হবে, চোখে ইশারা করলে সালাত আদায় হবে না। রুগ্ন ব্যক্তিকে বসার সময় সালাতের অবস্থায় বসতে হবে। যদি রােগী এতােই দুর্বল হয় যে বসে থাকা সম্ভব নয়, তবে কিবলার দিকে পা দুটি রাখতে হবে।
পা সােজা না রেখে হাঁটু উঁচু করে রাখতে হবে এবং মাথার নিচে বালিশ বা এ জাতীয় কিছু জিনিস রেখে মাথা একটু উচু রাখতে হবে। শুয়ে ইশারায় রুকু ও সিজদাহ্ করবে অথবা উত্তর দিকে মাথা রেখে কাত হয়ে শুয়ে এবং কিবলার দিকে মুখ রেখে ইশারায় সালাত আদায় করবে। যদি এভাবেও সালাত আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে তার উপর সালাত আর ফরজ থাকে না, মাফ হয়ে যায়। 
অপারগ অবস্থায় বা কেউ বেহুঁশ হয়ে পড়লে যদি চব্বিশ ঘন্টা সময় অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের বা তার চেয়ে কম সময় অতিক্রান্ত হয়, তাহলে সক্ষম হওয়ার পর রুগ্ণ ব্যক্তিকে কাযা করতে হবে। যদি পাঁচ ওয়াক্তের বেশি সময় অতিবাহিত হয়, তবে আর কাযা করতে হবে না। এতে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে সালাত এমন একটি ইবাদত, যা সক্ষমতার শেষ সীমা পর্যন্ত আদায়ের হুকুম দেওয়া হয়েছে। কোনােভাবেই সালাত ত্যাগ করা যায় না।  রুগ্ন ব্যক্তির জন্য জ্ঞান থাকা পর্যন্ত সালাত আদায় করা বাধ্যতামূলক।
আপনি যদি এই post পছন্দ করেন বা কিছু শিখে থাকেন বলে মনে হয়, তবে দয়া করে এই পোস্টটি Social Networks যেমন Facebook, Twitter এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে শেয়ার করুন।


ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE 

Previous article৮ম-অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর
Next articleষষ্ঠ-৬ষ্ঠ শ্রেণির হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ও উত্তর

3 COMMENTS