নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ-৬ষ্ট সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর

2
338

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর

Table of Contents

সকল শ্রেণির ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ৬ষ্ট সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান ২০২১

৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ/সপ্তাহের ৬ষ্ঠ/৭ম/৮ম/৯ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। 

আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট ষষ্ঠ সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান।


৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট উত্তর

নোটিশ: এইটার উত্তর আজ আমি আপনাদের দুই ভাবে দিবো। এই দুইটার মধ্যে যার যেটা ভালো লাগে লিখে নিবেন।

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান, ৯ম  সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট  ২০২১, নবম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,  ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২১

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট উত্তর নং ১

বর্তমানে কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার ক্ষেত্রে ই – লার্নি এর ভূমিকা বিষয়ক ২৫০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

উওরঃ বর্তমানে কোটি ১৯ পারাখাততে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার ক্ষেত্রে ই – লার্নি এর ভূমিকা বিষয়ক ২৫০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে নিন্মে উপস্থাপন করা হল । 
ভূমিকা: শিক্ষা এবং জ্ঞান হলাে মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই মহামূল্যবান সম্পদ ভিন্ন কোনাে মানুষই জীবনে সম্পূর্ণতা লাভ করতে পারে না। শিক্ষা শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় কিংবা চার দেওয়ালের বন্ধনীতে আবদ্ধ নয়। শিক্ষার প্রকৃত রূপ হল ব্যাপক। কিন্তু সাবেকি শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার এই ব্যাপক রূপের উন্মেষ ঘটতে পারে না।
সেই কারণেই আধুনিক যুগের সূচনা কাল থেকে বিভিন্ন শিক্ষাবিদরা শিক্ষার পাঠ্যক্রমগত এবং পদ্ধতিগত উন্নয়নের কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে আরও জোরদার হয়েছে সমাজের সর্বস্তরে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার এর প্রযােজনীয়তার দাবী। 
এমতাবস্থায় তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারকে কাজে লাগিযে শিক্ষাব্যবস্থার রঙ্গমঞ্চে আবির্ভাব ঘটেছে ই লার্নিং পদ্ধতির। এই পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে অভিনব উপায়ে সৃজনশীল পদ্ধতির দ্বারা পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে অন্য যেকোন প্রান্তে বিশ্বমানের শিক্ষার প্রচার ও প্রসার সম্ভব। 
এই ধরনের শিক্ষার মাধ্যমে একদিকে শিক্ষার্থীদের সৃজনমূলক প্রতিভার যেমন বিকাশ ঘটে, আবার অন্যদিকে শিক্ষার পথে সকল বাধাকে অতিক্রম করে অত্যন্ত সহজে যেকোনাে জায়গায়, যে কোন সময়ে, যেকোনাে মানুষের কাছে শিক্ষাকে পৌঁছে দেওয়া যায়। সেকারণে একবিংশ শতকে আধুনিকতম মাধ্যম হিসেবে সংযােজিত হয়েছে ই লার্নিং পদ্ধতি।
করােনাকালে স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম চালু না রাখার যৌক্তিকতা: পৃথিবীর ইতিহাসে ২০২০ একটি চিরস্মরণীয় বছর হয়ে থাকবে। এই বছর করােনা নামক এক ভয়ঙ্কর ভাইরাসের থাবা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের। এই ভাইরাস এতটাই সংক্রামক যে মুহুর্তের মধ্যে মানুষ থেকে মানুষে রােগ ছড়িয়ে পড়ছে। সেজন্যেই বিশ্বব্যাপী ঘােষিত হয়্রছে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন।
সামাজিক দূরত্ববিধি না মেনে এই ভাইরাসঘটিত রােগ থেকে রক্ষা পাওযার আপাতত আর কোন উপায় নেই। পৃথিবীজুড়ে সমস্ত প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই সময় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। করােনা ভাইরাসের প্রকোপ খানিকটা কমলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে আবার আগের মতন করে চালানাের ঝুঁকি নেয়া যায়নি। কারণ এই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি পূর্বের মতন চালু থাকলে শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখা আদৌ সম্ভবপর হবে না। 
আর ছাত্র – ছাত্রীরা হল পৃথিবীর ভবিষ্যৎ এই মরণ ভাইরাসের প্রকোপকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে পুনরায় ছাত্র – ছাত্রীদের স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম চালু রাখার ঝুঁকি নেওযার অর্থ হলাে ছাত্র – ছাত্রীদের স্বাস্থ্য তথা ভবিষ্যতকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওযা। সে কারণে এমতাবস্থায় স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম পুনর্বহাল করার মতন ঝুঁকি নেওয়া একেবারেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।
ই লার্নিং এর ধারণা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ হযে স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য অস্থায়ীভাবে স্তব্ধ হয়ে গেলেও শিক্ষার প্রচার এবং প্রসারকে থেমে থাকতে দেওয়া যায় না। এইরকম সমযেই ঘরে ঘরে বিশ্বমানের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উঠে এসেছে ই – লার্নিং এর ধারণা। তবে ই লার্নিং এর এই ধারণা পুরােপুরি মহামারী পরিস্থিতি থেকে উদ্ভূত ফল নয়। 
এই মহামারীর বহু আগে থেকেই দূরবর্তী শিক্ষা, মুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা, সৃজনমূলক শিক্ষা তথা শ্রেণী কার্যক্রমের সমান্তরাল কোচিং ক্লাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিযে ই – লার্নিং এর ব্যবহার প্রচলিত ছিল। এই মহামারীর কালে ই লার্নিং এর প্রযােজনীযতার ব্যাপকতা অনুভূত হয়েছে মাত্র। যে ই লার্নিং এতদিন অত্যন্ত সামান্য কিছু ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তা আজ বহুমুখী রূপ লাভ করেছে। 
আধুনিক তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির যুগান্তকারী ফসল ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে একসাথে সামাজিকভাবে সমবেত না হযেও অনলাইনের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম চালু রাখার নামই হলাে ই লার্নিং। মহামারীর সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ হয়ে যাওযার পর থেকেই অধিকাংশ বিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালযগুলি পাঠ্যক্রম চালু রাখার বিকল্প উপায় হিসেবে ই লার্নিং পদ্ধতিকে বেছে নিয়েছে।
ই লার্নিং এর সুবিধাসমূহ: ই – লার্নিং পদ্ধতির অসংখ্য সুবিধাগত দিক রয়েছে। সেইসব দিকগুলির কথা ইতিপূর্বে প্রচলিত থাকলেও তা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে আবদ্ধ ছিল। বর্তমানে ই লার্নিং বা ইলেকট্রনিক লার্নিং ব্যবস্থার ব্যাপক প্রসারের ফলে সমাজের সর্বস্তরে এর সুবিধাগুলি বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে। তেমনি বিশেষ কয়েকটি সুবিধার কথা নিম্নে উল্লেখ করা হলাে।
  • ই-লার্নিং পদ্ধতিতে যেকোনাে স্থানে বসে ইন্টারনেট সংযােগ ব্যবহার করে পাঠ গ্রহণ করা যায়। অর্থাৎ দূরত্ব শিক্ষা গ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
  • এই পদ্ধতিতে একজন দক্ষ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে কোন বিষয়কে অডিওভিজুয়াল – এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
  • ই-লার্নিং পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণ করবার খরচ তুলনামূলক ভাবে কম হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে এই পদ্ধতিকে প্রযােগ করে শিক্ষাবিস্তার সম্ভব। 
  • এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে সামাজিকভাবে সমবেত হওয়ার প্রযােজনীয়তা ফুরানাের ফলে কোভিড -১৯ এর মতন যে কোনাে সংক্রামক ব্যাধি এড়ানাে সম্ভব। 

ই-লার্নিং এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সমূহ: যেকোনাে নতুন ধরনের আধুনিক ব্যবস্থা বাস্তবাযনের পথে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূলতা কাজ করে। ই -লার্নিং পদ্ধতিও তার ব্যাতিক্রম নয়। ইতিপূর্বে সীমিত কিছু স্তরে এই পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে এই পদ্ধতির প্রয়োগ বর্তমান মহামারীর কালেই প্রথম। সুবিধাজনক এই পদ্ধতিটিকে বাস্তবে রূপদান করতে গিয়ে সমাজকে বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মুখােমুখি দাঁড়াতে হয়েছে। তেমনি কয়েকটি হলাে:
  • ই-লার্নিং পদ্ধতি সমাজের অধিকাংশ মানুষের কাছেই একেবারে নতুন ধরনের হবার ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই এই পদ্ধতির সাথে মানিয়ে নেওযার জন্য বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
  • এখনাে অবধি তৃতীয় বিশ্বের অধিকাংশ দেশে সর্বস্তরে ইন্টারনেট সংযােগ না পৌঁছনােয় প্রান্তিক অঞ্চলের সেইসব মানুষের পক্ষে ই-লার্নিং এর সুবিধা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
  • তাছাড়া বিশেষত তৃতীয় বিশ্বের বহু মানুষ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না হওযার কারণে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ এখনাে তাদের কাছে বিলাসিতাস্বরপ।
  • ই-লার্নিং ব্যবস্থা যথাযথভাবে শিক্ষণ – এর জন্য শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভযকেই প্রযুক্তিগত ব্যাপারে দক্ষ হতে হয়। ই-লার্নিং পদ্ধতি বিস্তৃতভাবে প্রযােগের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযােজনীয় এই প্রযুক্তিগত দক্ষতার বিশেষ অভাব লক্ষ্য করা গেছে। 
ই-লার্নিং এর মাধ্যমে কাঙ্খিত দক্ষতা অর্জন: বর্তমানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলাে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করা যা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ – এর পথকে প্রশস্ত ও মসৃণ করবে। ই-লার্নিং পদ্ধতির প্রযােগের প্রথম দিকে মনে করা হতাে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর মুখােমুখি মিথস্ক্রিয়া না হওযার দরুণ এই পদ্ধতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব নয়।
তবে এই ব্যবস্থা যত প্রসারিত হয়েছে ততই ই-লার্নিং সম্বন্ধে ভুল ধারণা মানুষের মন থেকে অপসারিত হয়েছে। বর্তমানে প্রমাণ হয়ে গেছে মুখােমুখি মিথস্ক্রিযার না হওয়া সত্ত্বেও ই-লার্নিং পদ্ধতিতে অডিও ভিজুয়াল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রথাগত শিক্ষা পদ্ধতির থেকে আরাে ভালাে ভাবে কোন বিষয়কে উপস্থাপন করা যায়। 
ফলে ই-লার্নিং পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনাে ব্যক্তির কাঙ্খিত দক্ষতা অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। বরং সুবিধা অনুযায়ী রেকর্ডেড ক্লাস, শিক্ষাগত উপাদান – এর সহজলভ্যতা, শিক্ষার বহুমুখী রূপের প্রসার ইত্যাদির দ্বারা এই পদ্ধতিতে মানুষের ব্যক্তিগত দক্ষতায পর্বের তুলনায় আরও বেশি বুদ্ধি ঘটানাে যায়।
স্বাভাবিক সময়ে শিক্ষা সহায়তা হিসেবে ই-লার্নিং এর সম্ভাবনা: ই-লার্নিং পদ্ধতিকে এই করােনা মহামারী কালে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হলেও এই পদ্ধতি স্বাভাবিক সময়েও শিক্ষার প্রসারে এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে ফলপ্রসূ হতে পারে। এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলি স্বল্প খরচে দেশের প্রান্তিক অঞ্চলেও শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে পারে। 
তাছাড়া এই পদ্ধতি অবলম্বন করে শিক্ষাগত বিষয়বস্তুর আকর্ষণীয উপস্থাপনা শিক্ষার্থীদের কাছেও কোন কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপিত করতে সাহায্য করছে। এছাড়া উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালযগুলি ই-লার্নিং পদ্ধতিকে প্রয়োগ করে দুরবর্তী স্থানে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করতে পারে। বর্তমানকালে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযােগের ব্যাপক প্রসার ভবিষ্যতে ই-লার্নিং পদ্ধতির সম্ভাবনাময় বিস্তারের ইঙ্গিতই বহন করে।

উপসংহার: ই-লার্নিং বা ইলেকট্রনিক লার্নিং পদ্ধতি হলাে ভবিষ্যতের জন্য অনন্ত সম্ভাবনাময় একটি শিক্ষা ব্যবস্থা। একথা সত্য যে এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নের পথে অসংখ্য বাধা এবং বিপত্তি রয়েছে এবং আরাে উদ্ভূত হবে। কিন্তু সেই বাধা – বিপত্তিগুলিকে দূর করে ই-লার্নিং – এর চূড়ান্ত সুবিধাগত দিকগুলি সকলের মধ্যে প্রসারিত হলে তবেই সমাজ শিক্ষা বিস্তারের সার্থক আলােয় আলােকিত হবে। 

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট  উত্তর নং ২

বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা’- বিষয়ক ২৫০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর। ৯ম শ্রেণি।
০৯ জুন, ২০২১ খ্রিঃ
প্রধান শিক্ষক
তোমার স্কুলের নাম 
মিরপুর, ঢাকা।
বিষয় : প্রতিবেদন জমাদান প্রসঙ্গে।
সূত্র : গ.উ.বি/১২৮/২০২১ তারিখ : ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ
মহোদয়,
সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ  এর স্মারক নং গ.উ.বি/১২৮/২০২১  মোতাবেক আপনার নিকট থেকে আদিষ্ট হয়ে বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা নিয়ে আমার প্রতিবেদন বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে প্রস্তুত করেছি।
অতএব, আপনার সদয় বিবেচনার জন্য “বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা” সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি নিম্নে উপস্থাপন করলাম।
প্রতিবেদক
তুমার নাম 
স্কুলের নাম 
নবম শ্রেণি, বিভাগ, রোলঃ
বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা
বর্তমান আধুনিক বিশ্বায়নের যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ভূমিকা অনস্বীকার্য। যোগাযোগের আধুনিকায়ন এবং ইন্টারনেটের বদৌলতে শুরু হয়েছে ই- লার্নিং। ই-লার্নিং মূলত অনালাইন ভিত্তিক শিক্ষা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের ফলে ই-লার্নিং এর ধারণার উদ্ভব হয়েছে। 
ই-লার্নিং হল ইলেকট্রনিক লার্নিং অর্থাৎ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিংবা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক, টেলিভিশন সিডিরম, রেডিও, ভিডিও ইত্যাদির মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করাই হল ই- লার্নিং। ই-লার্নিং হলো একটি আধুনিক পদ্ধতিতে পাঠদানের প্রক্রিয়া।
করোনাকালে স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম চালু না রাখার যৌক্তিকতা রয়েছে। কারন উন্নত দেশগুলো যেখানে করোনার থাবায় কোণঠাসা সেখানে আমাদের জনবহুল দেশ অনেকটাই বিপদের মুখে। যদি  শ্রেণী কার্যক্রম চালু রাখা হতো তাহলে দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থির চিত্র আরও ভয়াবহ হত। আজকের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। আজকের শিক্ষার্থীরাই সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিবে আমারা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কতোটা উন্নত। 
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শ্রেণী কার্যক্রম চালু না রাখার সিদ্ধান্ত খুবই যৌক্তিকসম্পন্ন এবং যুগোপযুগী। তাছাড়া ই-লার্নিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই পাঠদানের সুযোগ যেখানে রয়েছে সেখানে শ্রেণী কার্যক্রম চালু রাখা মানে হল তথ্য ও প্রযুক্তিকে নিরাশ করা। তাছাড়া সবার আগে জীবন। জীবিত থাকলে শিক্ষা হবে, প্রতিষ্ঠিতও হওয়া যাবে।
আমার বিদ্যালয়ও অনলাইন কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস সম্পাদিত হচ্ছে। ফলে, অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যায় আমরাও ই-লার্নিং এর সাথে যুক্ত হচ্ছি।
বর্তমান প্রযুক্তির বদৌলতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা। নিচে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আলোকে ই- লার্নিং এর সুবিধাসমূহ তুলে ধরা হল:
১. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব।
২. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে নতুন নতুন স্কুল তৈরি না করে অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষাদান করা সম্ভব।
৩. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রী তাদের নিজেদের সুবিধা মতো পড়াশুনা করতে পারবে। যে বিষয়ে দূর্বল সে বিষয়ে শিক্ষকের কাছে থেকে অনলাইনে টিউশন নিতে পারবে এবং সেটাও অনেক কম খরচে।
৪. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সম্পর্কে সহজেই ধারণা পাওয়া যায়।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা সহায়তায় ই-লার্নিং এর প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হলেও করোনা পরবর্তী সময়ে ই-লার্নিং আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে ই-লার্নিং এর মাধ্যমে পাঠদান করাচ্ছে।
উন্নত দেশগুলোতে ই- লার্নিং এর বান্তবায়ন বেশি লক্ষ্য করা গেলেও সে অনুপাতে আমারদের দেশে ততোটা ই- লার্নিং এর বান্তবায়ন হয় নি। যদিও সরকারি ও বেসরকারি উভয় দিক থেকে এটা নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে  ই- লার্নিং বান্তবায়ন অনেকটা কঠিন এবং চ্যালেঞ্জও বটে।
প্রতিবেদকের নাম : _
প্রতিবেদনের ধরন : _
প্রতিবেদনের শিরোনাম : বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা।
প্রতিবেদন তৈরির স্থান : _
তারিখ : ০৯.০৬.২০২১ খ্রিঃ

Previous article৮ম-অষ্টম শ্রেণির ৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ সপ্তাহের কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২১
Next article৯ম-নবম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২১

2 COMMENTS