৯ম-নবম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২১

1
829

৯ম-নবম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২১

সকল শ্রেণির ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ৬ষ্ট সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান ২০২১

৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ/সপ্তাহের ৬ষ্ঠ/৭ম/৮ম/৯ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। 

আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট ষষ্ঠ সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান।

৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান, ৯ম  সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট  ২০২১, নবম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,  ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২১

বন্ধুরা নিচে নবম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ দেওয়া হলো। আপনারা এই গুলো দেখে আইডিয়া নিয়ে নিজের মত করে লিখতে পারেন। পিকচার গুলো এসাইনমেন্টের সাথে যুক্ত করতে হবে।


বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধুসভ্যতার অবদান সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে উভয় সভ্যতার আর্থ – সামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর । (৩০০ শব্দ) উত্তর:
আদিম যুগের মানুষ কৃষিকাজ জানো না। বনের ফলমূল খেয়ে তারা জীবন ধারণ করতো। পরবর্তীতে কৃষিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুরনো পাথরের যুগ শেষ হয়ে মানুষের যাযাবর জীবন অবসান ঘটে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতির পিছনে মানুষ যুগ যুগ ধরে পরিশ্রম করে গেছে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনের পিছনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান অনেক। 

মিশরীয় সভ্যতার অবদানঃ মিশরীয় সভ্যতা উত্তর আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন সভ্যতা। প্রাচীন দেশ মিশরে  খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ অব্দ পর্যন্ত নীল নদের নিম্নভূমি অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে। মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে মিশরীয় সভ্যতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। 

প্রাচীন বিশ্বসভ্যতায় মিশরীয়দের মত ভাস্কর্যশিল্পে অসাধারণ প্রতিভার ছাড়া আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি। মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান, ৯ম  সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট  ২০২১, নবম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,  ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২১

নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান, ৯ম  সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট  ২০২১, নবম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,  ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২১

মিশরের নীল নদের উৎপত্তি আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে। সেখান থেকে নদটি নানা দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। ইতিহাসের জনক হেরােডােটাস ’ যথার্থই বলেছেন- “ মিশর নীল নদের দান। নীল নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতাে। প্রাচীন কালে প্রতিবছর নীল নদে বন্যা হতাে। বন্যার পর পানি সরে গেলে দুই তীরে পলিমাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেতাে। জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতাে নানা ধরনের ফসল।


মিশরীয়দের আর্থ সামাজিক অবস্থাঃ রাষ্ট্র ও সমাজ প্রাক – রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলাে ছােট ছােট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল। এগুলােকে ‘নােম’ বলা হতাে। মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও-এর (মেনেস বা নারমার) অধিনে ঐক্যবদ্ধ মিশরের রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেম্ফিস। 
মিশরীয় ‘পের – ও’ শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম। ফারওরা ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী। তারা নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন। ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক। অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতাে উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও। পেশার উপর ভিত্তি করে মিশরের সমাজের মানুষকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন: রাজপরিবার, পুরােহিত, অভিজাত, লিপিকার, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস। মিশরের অর্থনীতি মূলত ছিল কৃষি নির্ভর। নীল নদের তীরে গড়ে তােলা সভ্যতার মানুষ অর্থাৎ মিশরীয়রা বন্যার সময় বাঁধ তৈরি করে ফসল রক্ষা করত। আবার শুষ্ক মৌসমে ফসলের ক্ষেতে পানি দেয়ার জন্য খাল কেটে গড়ে তুলেছিল সেচ ব্যবস্থা। 
মিশরেই প্রথম সরকারি ব্যবস্থায় চাষাবাদ চালু হয়। কৃষিনির্ভর মিশরের উৎপাদিত ফসলের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিল গম, যব, তুলা, পেঁয়াজ, পিচ ইত্যাদি। ব্যবসায় বাণিজ্যেও মিশর ছিল অগ্রগামী। মিশরে উৎপাদিত গম, লিনেন কাপড় ও মাটির পাত্র ক্রিট দ্বীপ, ফিনিশিয়া, ফিলিস্তিন ও সিরিয়ায় রপ্তানি হতাে। বিভিন্ন দেশ থেকে মিশরীয়রা স্বর্ণ, রৌপ্য, হাতির দাঁত, কাঠ ইত্যাদি আমদানি করতাে।
সিন্ধু সভ্যতার অবদানঃ সিন্ধু নদের অববাহিকায় অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা। পন্ডিতের মতে খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ পর্যন্ত সিন্ধু সভ্যতার উত্থান পতনের কাল। সভ্যতার ইতিহাসে সিন্ধু সভ্যতার একটি পরিকল্পিত নগরী ধারণা দিয়েছে। সিন্ধু সভ্যতার যুগে মানুষ সমাজবদ্ধ পরিবেশে বাস করত। সিন্ধু সভ্যতার অদিবাসীরা উন্নত ধরনের নাগরিক সভ্যতায় অভ্যস্ত ছিল। 
রাস্তাঘাট পাকা আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হতো। বাড়ির সামনে বিশাল খালি জায়গা রাখা হত। নিরাপত্তার জন্য শহরে সৈন্য মোতায়েন থাকত। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও জানতো। ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল। তারা ধর্মীয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রয়োজনে সিল ব্যবহার করত।
নবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান, ৯ম  সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট  ২০২১, নবম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,  ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২১

সিন্ধু সভ্যতার আর্থসামাজিক অবস্থাঃ সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। তাছাড়া অর্থনীতির আর একটি বড় দিক ছিল পশুপালন ও বাণিজ্য। কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি মৃৎপাত্র নির্মাণ, ধাতুশিল্প, বয়নশিল্প, অলংকার নির্মাণ, পাথরের কাজ ইত্যাদিতেও তারা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। 
এই উন্নতমানের শিল্প পণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সিন্ধু সভ্যতার বণিকরা বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ রক্ষা করে চলত। বণিকদের সাথে আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান, মধ্য এশিয়া, পারস্য, মেসােপটেমিয়া, দক্ষিণ ভারত, রাজপুতনা, গুজরাট প্রভৃতি অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ ছিল।

Previous articleনবম-৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ-৬ষ্ট সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর
Next articleনবম – ৯ম শ্রেণির ষষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর ও সমাধান ২০২১

1 COMMENT