২০২১ সালের এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর SSC

2
209

২০২১ সালের এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর SSC

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার এসাইনমেন্ট উত্তর, ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এসএসসি ২০২১, ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১, ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ pdf, ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ pdf download, এসএসসি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ pdf, ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ssc, এস এস সি এসাইনমেন্ট ২০২১

অ্যাসাইনমেন্ট: গ্রিকসভ্যতা ও রােমান সভ্যতার তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপনপূর্বক বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে উভয় সভ্যতার অবদান মূল্যায়ন।

নির্দেশনা:
১. গ্রিকসভ্যতা ও রােমান সভ্যতার পটভূমির ব্যাখ্যা।
২. ভৌগােলিক অবস্থান ও সময়কালের।
৩. সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য ছকে উপস্থাপন। শিক্ষা, সাহিত্য ও দর্শনে গ্রিক ও রােমান সভ্যতার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন। 
৪. স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানে সভ্যতা দু’টোর অগ্রগতির চিত্র উপস্থাপন।


এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা চতুর্থ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর 2021

উত্তরঃ
ক. গ্রিক সভ্যতা ও রোমান সভ্যতার পটভূমিঃ

গ্রিক সভ্যতার পটভূমিঃ গ্রিসের ইতিহাস বলতে বােঝায় গ্রিক জাতি এবং অতীতে তাদের দ্বারা বিজীত অঞ্চল তথা বর্তমান গ্রিস রাষ্ট্রের ইতিহাস সংক্রান্ত অধ্যয়ন। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে গ্রিস জাতি অধ্যুষিত ও শাসিত অঞ্চলের সীমারেখায় নানা পরিবর্তন এসেছে। এই কারণে গ্রিসের ইতিহাসেও বিভিন্ন প্রকার বহিরাগত উপাদান এসে মিশেছে। গ্রিসের ইতিহাসের প্রতিটি যুগের সুনির্দিষ্ট লিখিত বিবরণ বিদ্যমান। প্রথম আদি গ্রিক উপজাতিটি মাইসেনিয়ান নামে পরিচিত। এরা খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দের শেষ ভাগে এবং দ্বিতীয় সহস্রাব্দের প্রথমার্ধে গ্রিসে মূল ভূখণ্ডে বসতি স্থাপন করে। মাইসেনিয়ান উপজাতি যখন এই অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করেছিল, তখন এখানে একাধিক অগ্রিকভাষী ও দেশীয় আদি-গ্রিক উপজাতিগুলি বাস করত।
এরা খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম সহস্রাব্দ থেকে এই অঞ্চলে কৃষিকার্য করে আসছিল। ভৌগোলিক বিস্তারের মধ্যগগনে গ্রিক সভ্যতা গ্রিস থেকে মিশর ও পাকিস্তানের হিন্দুকুশ পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। এই সময় থেকেই গ্রিক সংখ্যালঘুরা পূর্বতন গ্রিক সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে (যেমন তুরস্ক, ইতালি, ও লিবিয়া, লেভ্যান্ট ইত্যাদি অঞ্চলে) বসবাস করছেন। বর্তমানে সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রিক অভিনিবেশকারীদের সন্ধান পাওয়া যায়। বর্তমানে অধিকাংশ গ্রিকেরা ১৮২১ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত গ্রিস দেশ ও সিরিয়ায় বসবাস করেন।
রোমান সভ্যতার পটভূমিঃ প্রাচীন রোম পৃথিবীর সমৃদ্ধতম প্রাচীন সভ্যতাগুলাের মধ্যে অন্যতম যা খ্রিষ্টপূর্ব ৮ম শতাব্দীর প্রথম ভাগে ইতালীয় উপদ্বীপে সূচীত হয়। রোম শহরকে কেন্দ্র করে ভূমধ্যসাগরের তীর ধরে এই সভ্যতা বিকাশিত হতে থাকে, এবং কালক্রমে একটি প্রাচীন যুগের বৃহত্তম সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। এই সভ্যতার স্থায়ীত্বকাল ছিল প্রায় ১২ শতক এবং এ দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় রোমান সভ্যতা একটি রাজতন্ত্র থেকে একটি সম্রান্ত প্রজাতন্ত্র এবং পর্যায়ক্রমে একটি একনায়কতন্ত্রী সাম্রাজ্যে পরিবর্তিত হয়। 
যুদ্ধ বিজয় এবং আত্তীকরণের মাধ্যমে এটি দক্ষিণ ইউরোপ, পশ্চিম ইউরোপ, এশিয়া মাইনর, উত্তর আফ্রিকা, উত্তর ইউরোপ এবং পূর্ব ইউরােপের একাংশকে এর শাসনাধীনে নিয়ে এসেছিল।রোম ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী সাম্রাজ্য এবং প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী সাম্রাজ্যগুলাের একটি ছিল। এটিকে প্রায়ই প্রাচীন গ্রিস সাথে একত্রে “উচ্চমানের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের” মধ্যে দলবদ্ধ করা হয় এবং এ দুটি সভ্যতার সাথে অনুরূপ সংস্কৃতি ও সমাজ মিলে একত্রে গ্রেকো-রোমান বিশ্ব হিসাবে পরিচিত। নর্ডিক জাতি কর্তৃক রোমান সভ্যতা ধ্বংস করা হয়।
খ. গ্রিক ও রোমান সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়কালের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্যঃ

রোমান সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়কালঃ ইতালির মাঝামাঝি পশ্চিমাংশে রোম নগর অবস্থিত। ইতালির দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে উত্তর দিকে আল্পস পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত। ইতালি ও যুগােস্লাভিয়ার মাঝখানে আড্রিয়াটিক সাগর। প্রাচিন রোম ছিল কৃষি নির্ভর। অনুপ্রবেশকারীদের সংগে সংঘর্ষ রােমের নাগরিকদের নিত্য দিনের বিষয় ছিল ফলে রোমানরা যােদ্ধা জাতিতে পরিনত হয় । খ্রিষ্টপূর্ব ৭৫৩ অব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতির হাতে চুড়ান্ত পতন হয়।
গ্রিক সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়কালঃ প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ভূমধ্যসাগর ও ইজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে। ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক কারণে গ্রিক সভ্যতার সাথে দুইটি সংস্কৃতির নাম জুড়িয়ে আছে। একটি ‘হেলেনিক (Hellenic) এবং অন্যটি ‘হেলেনিস্টিক’ (Hellenistic)। গ্রিসকে হেলেনীয় সভ্যতার দেশ বলা হয়। 
গ্রিসের প্রধান শহর এথেন্সে শুরু থেকেই যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তাকে বলা হয় হেলেনিক সংস্কৃতি। গ্রিস উপদ্বীপ ছিল এ সংস্কৃতির মূল কেন্দ্র। খিস্টপূর্ব ৩৩৭ অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক সভ্যতা টিকে ছিল। এ সময় মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াকে কেন্দ্র করে গ্রিক সংস্কৃতি ও অগ্রিক সংস্কৃতির মিশ্রণে এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম হয়। ইতিহাসে এ সংস্কৃতির পরিচয় হয় হেলেনিস্টিক সংস্কৃতি নামে।
রোমন ও গ্রীক সভ্যতার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্যঃ

যদিও উভয় সভ্যতা আসলে ভূমধ্যসাগরীয় হলেও তারা তাদের সামাজিক শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে পার্থক্য নিয়ে আসে। উভয় সভ্যতা বিভিন্ন পুরাণ ছিল এবং একে অপরের থেকে একটি ভিন্ন ভাবে তাদের জীবন মূল্যবান।
  • গ্রীস সভ্যতা রোমান সভ্যতা থেকে প্রাচীন।
  • এই সভ্যতার মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য হল রোম তাদের সময়ের মধ্যে মহান অগ্রগতিতে পরিণত হয় না। গ্রীস, যদিও, ৫ ম শতাব্দী বিসি সময় একটি জাতির হিসাবে তাদের অগ্রগতি শুরু। বেশিরভাগ সময়, এটি বিশ্বাস করা হয় যে রোমানদের দ্বারা ব্যবহৃত অধিকাংশ জিনিসই গ্রিক সভ্যতার অংশ ছিল যদিও রোমান চিন্তাধারার ভিত্তিতে তারা উন্নত এবং পরিবর্তিত হয়েছিল।
  • উভয় সভ্যতারা তাদের জনগণের বিভাগে বিশ্বাস করে। গ্রীক তাদের সমাজের সিস্টেমকে ক্রীতদাসদের শ্রেণিতে বিভক্ত করে, বিনামূল্যে পুরুষ, মেটিকস, নাগরিক ও মহিলাদের। রোমান সমাজ মুক্ত পুরুষ, ক্রীতদাস, প্যাট্রিসিয়ান এবং প্লেবিয়িয়ানদের অন্তর্ভূক্ত ছিল।
  • গ্রীসে নারী, ক্রীতদাসের অবস্থান থেকে এমনকি কম অবস্থানের কথা বলে মনে করা হত। গ্রীস সভ্যতার তুলনায় রোমান সােসাইটি নারীদের উচ্চতর অবস্থানে অবস্থান করে এবং তারা নারীদের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে। তবে, তারা নারীদের রাজনৈতিক অফিসে ভােট দিতে বা সভাপতিত্ব করার অনুমতি দেয়নি।
  • উভয় সভ্যতার কাঠামাে এবং আর্কেক্টচারের উপর প্রভাব ফেলে যে ভবনগুলি এখন পর্যন্ত আছে। গ্রিক সভ্যতার তিনটি শৈলী তাদের স্থাপত্যের সাথে জড়িত ছিল, যা ছিল আয়ােনিক, করিন্থিয়ান এবং ডরিক। রোমান স্থাপত্যের প্রভাব গ্রিক স্থাপত্যের উপর প্রভাব ফেলেছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্রীক স্থাপত্যের শৈলী এবং তার দ্বারা নির্মিত ভবনগুলিতে খিলানগুলি এবং সমভূমির যােগফলের সাথে যুক্ত।
  • রােমের তুলনায়, বর্তমানে ইতালির রাজধানী, গ্রীস এখনও একটি দেশ হিসাবে বিদ্যমান।
গ. গ্রিক ও রোমান সভ্যতার শিক্ষা-সাহিত্য ও দর্শনের বৈশিষ্ট্যঃ
 
গ্রিক সভ্যতার শিক্ষা সাহিত্য ও দর্শনঃ
শিক্ষা: গ্রিসে নৈতিক এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হতাে। সুশিক্ষিত নাগরিকের হাতেই শাসনভার দেওয়া উচিৎ, সরকারের চাহিদা এবং লক্ষ্য অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা থাকা উচিৎ, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য আনুগত্য ও শৃঙ্খলা শিক্ষা দেওয়া এসব তাদের বিশ্বাস ছিল। সাহিত্য সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানবসমাজে মূল্যবান সম্পদ। হােমারের ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্য তার অপূর্ব নিদর্শন। সাহিত্য ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বিকাশ ঘটেছিল নাটক রচনায়। বিয়ােগান্তক নাটক রচনায় তারা বিশেষ পারদর্শী ছিল।
দর্শন: দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসে অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল। পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শনচর্চার সূত্রপাত। থালেস সূর্যগ্রহণের প্রথম প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখা করেন। দার্শনিকদের মধ্যে সক্রেটিস ছিলেন সবচেয়ে খ্যাতিমান। তার শিক্ষার মূল দিক ছিল আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তােলা। সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
রোমান সভ্যতার শিক্ষা সাহিত্য ও দর্শনঃ
শিক্ষা: রোমান সময়ে শিক্ষা বলতে বুঝাতাে খেলাধুলা ও বীরদের স্মৃতি কথা বর্ণনা করা। যেহেতু যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে রােমের যাত্রা শুরু হয়েছিল তাই তাদের সবকিছু যুদ্ধকেন্দ্রীক ছিল। তবে উচ্চশিক্ষিত রোমানরা গ্রিক সাহিত্যকে লাতিন ভাষায় অনুবাদ করার দক্ষতা অর্জন করে।
সাহিত্য: রোমান যুগে সাহিত্যের চর্চার ব্যাপক প্রসার ঘটে। সে যুগে সাহিত্যে অবদানের জন্য বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার মলিয়ে প্লটাস ও টেরেন্সের বিশেষ ভাবে উল্লেখযােগ্য। তারা মিলনান্তক নাটক রচনায় কৃতিত্ব অর্জন করেছিল। তবে রোমান সাহিত্যের প্রসার দেখা যায় অগাস্টাস সিজারের আমলে। হােরাস, ভার্জিল, ওভিদ, লিভি এ যুগের অন্যতম কবি। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্যাসিটাস এ যুগে জন্মে ছিলেন।
দর্শন: রােমে স্টোইকরাদী দর্শন যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ১৪০ অব্দে রােডস’ প্যানেটিয়াস এই মতবাদ প্রথম রােমে প্রচার করেন।
ঘ. গ্রিক ও রোমান সভ্যতার স্থাপত্য,ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানের অগ্রগতিঃ
রোমান সভ্যতার স্থাপত্য,ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানঃ সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরী ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলােসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়। সেখানে একসংগে ৫৬০০ লােক বসতে পারত। রােমীয় ভাস্করগণ দেব-দেবী সম্রাট দৈত্য , পুরানের বিভিন্ন চরিত্রের মূর্তি মার্বেল পাথর দ্বারা তৈরী করেন।
প্লিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বকোষ প্রণয়ন করেন। এতে পাঁচশ বিজ্ঞানীর গবেষণা কর্ম স্থান পায়। বিজ্ঞানী সেলসাস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর বই লেখেন। এছাড়া গ্যালেন ব্লুফাস অবদান রাখেন। 
গ্রিক সভ্যতার স্থাপত্য,ভাস্কর্য ও বিজ্ঞানঃ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য তাদের অবদান ছিল বড় বড় স্তম্ভের উপর প্রসাদ তৈরী করত। পার্থেনান মন্দির বা দেবী এথেনার মন্দির স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন আছে। গ্রিক ভাস্কর্য পৃথিবীর শিল্পকলার ইতিহাসে এক স্বর্ণযুগের জন্ম দিয়েছিল।
সে যুগের প্রখ্যাত ভাস্কর্য শিল্পি ছিলেন মাইরন। খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে তারা বিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত করে। গ্রিক বিজ্ঞানীরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অংকন করেন এবং প্রমান করেন পৃথিবী একটিগ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়। তারা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহনের কারণ নির্নয় করেন। চাঁদের নিজস্ব কোন আলাে নেই জ্যামিতির পন্ডিত ইউক্লিড, গণিতবিদ পিথাগােরাস চিকিৎসা বিজ্ঞানে কিপােক্রেটসের খ্যাতি ছিল।

আপনি যদি এই post পছন্দ করেন বা কিছু শিখে থাকেন বলে মনে হয়, তবে দয়া করে এই পোস্টটি Social Networks যেমন Facebook, Twitter এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে শেয়ার করুন।

ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে এই খানে জানাতে পারেন ক্লিক করুন।

Previous article২০২১ সালের এসএসসি অর্থনীতি ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর SSC
Next article২০২১ সালের এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর SSC

2 COMMENTS